জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলো নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ববিসাস) আয়োজন করেছে ব্যতিক্রমধর্মী আলোকচিত্র প্রদর্শনী। “জুলাইয়ের প্রথম স্বাধীন ক্যাম্পাস: গণমাধ্যমের চোখে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়” শীর্ষক এ প্রদর্শনী সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে শুরু হয়।
দুপুর ১২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ। প্রদর্শনীটি দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
প্রদর্শনীতে মোট ৩৬টি স্থিরচিত্র স্থান পায়। এর মধ্যে ৩০টি ছবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় ছাত্র-জনতার সাহসী আন্দোলনের বিভিন্ন মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে। অপর ৬টি স্থিরচিত্রে স্থান পেয়েছে আন্দোলন চলাকালে জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ববিসাস সদস্যদের সংবাদ প্রতিবেদন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক এই আয়োজন অত্যন্ত স্মরণীয় ও প্রশংসনীয়। আন্দোলনের সময়কার অনেক মূল্যবান স্মৃতি এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। জুলাইয়ের সাহসী যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ আমরা সব সময় যথাযথভাবে মূল্যায়ন করব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরিশাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে শক্তিশালী করা এবং তৎকালীন সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলা। সেই সংগ্রামের ইতিহাস সংরক্ষণে সাংবাদিক সমিতির এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।”
অনুভূতি প্রকাশ করে ববিসাসের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো আলোকচিত্রের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে পেরে আমরা গর্বিত। ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ ও ইতিহাসভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (সহযোগী অধ্যাপক) ড. আব্দুল আলিম বছির, প্রক্টর (সহযোগী অধ্যাপক) মেহেদী হাসান সোহাগ, বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আজাদ আলাউদ্দীন, প্রথম আলোর বরিশাল ফটোসাংবাদিক মো. সাইয়ানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং ববিসাসের সদস্যরা।









