বেতন-ভাতা ৩ গুন এবং চাকরি জাতীয়করণ বা স্থায়ীকরণ দাবীতে পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ এবং প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে জেলা প্রাশাসকের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর কর্মসূচী পালন করেছেন বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজিঃ নং- বি ২০৩১), বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতি ও বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আন্দোলনরত শত শত কর্মচারীবৃন্দ।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী জেলা শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতি ও ডাক কর্মআারী ঐক্য পরিষদ উদ্যোগে স্থানীয় এলজিইডি কার্যালয়ের সামনের সড়ক হইতে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।
এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ডাক কর্মচারি ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম নিজাম, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাওলানা আব্দুস সালাম, জেলা শাখার সভাপতি মো. নুরুল আহাদ, সাধারন সম্পাদক মো. সাইদুজ্জামান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. শাহজাহান খান, সদস্য নার্গিস আক্তার, সদস্য সালমা সুলতানা, শিউলী পারভীন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ডাক বিভাগের প্রান্তিক পর্যায়ে কর্মরত ইডি শাখার পোস্টমাস্টার, ইডি শাখার রানার এবং পিয়নসহ অন্যান্য কর্মচারীরা
ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারি চিঠি, সঞ্চয়, পার্সেল এবং ডিজিটাল ও স্মার্ট সেবা প্রদান করে আসছি। কিন্তু যুগ যুগ ধরে আমরা প্রান্তিক কর্মচারীরা দৈনিক মাত্র ১৩৩ টাকা থেকে ১৪৭ টাকা মাসে ৪ হাজার টাকা থেকে ৪ হাজার ৪৬০ টাকা সম্মানী ভাতায় চাকরী করে আসছি। যা বর্তমান বাজারে অমানবিক। আমাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন নাই। ডাক বিভাগের কমকর্তা ও কর্মচারীদের প্রানের দাবী ৩ গুন ভাতা প্রদান ও চকুরী জাতীয়করন বা স্থায়ী করনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহানুভুতি এবং জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।
সমাবেশ শেষে আন্দোলনরত ডাক কর্মচারী নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী ডাক কর্মচারীদের কথা মনোযোগসহকারে শুনেন এবং তাদের স্মারকলিপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রেরনের আশ্বাস দেন। #








