পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. রহমানের বিরুদ্ধে রোগী পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারী পরিবারের দাবি, রনগোপালদী ইউনিয়নের যৌথা গ্রামের সেতারা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে সোমবার তাকে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এ সময় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে বরিশাল নেওয়ার জন্য চালক প্রথমে ৩ হাজার ৫০০ টাকা ভাড়া দাবি করেন।
রোগীর স্বজনরা জানান, বরিশালের পথে বাকেরগঞ্জ এলাকায় সেতারা বেগমের মৃত্যু হলে একই অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে চালক ৭ হাজার টাকা দাবি করলে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হন তারা। পরে জানতে পারেন, দশমিনা থেকে বরিশাল পর্যন্ত সরকারি নির্ধারিত ভাড়া মাত্র ২ হাজার টাকা।
তবে অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. রহমান অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পরিবারের সদস্যরা স্বেচ্ছায় টাকা দিয়েছেন। তিনি ২ হাজার টাকা সরকারি খাতে জমা দিয়ে বাকি টাকা নিজের কাছে রেখেছেন বলেও জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দশমিনা থেকে বরিশাল পর্যন্ত সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া ২ হাজার টাকা। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ঘটনা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মাদ খলিলুর রহমান জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









