পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় কেশবপুর ইউনিয়নের ভরিপাশা গ্রামের সাধারণ মানুষের জনজীবন বিপন্ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতা দেখা যায়।
টানা ৯-১০ দিন বর্ষণের কারণে রাস্তা ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। ১৪৭ নং তালতলী ভরিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় অতি বর্ষণের ফলে জলাবদ্ধতা দেখা যায় এবং নিয়মিত পাঠদান ব্যহত হয়। তালতলী ভরিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জীর্ণশীর্ণ একটি ভবনে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় শিক্ষকগন খুব ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। এখানে শিক্ষার্থী তুলনায় শ্রেণি কক্ষ খুবই অপ্রতুল। এছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে কেশবপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে আদৌ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। কেশবপুর ইউনিয়নের ভরিপাশা গ্রামটি ৩টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। কিন্তু ৬নং ওয়ার্ডে রাস্তাগুলো মাটির কাজসহ পাঁকাকরণ হয়নি। কোনো সরকারের আমলেই ৬নং ওয়ার্ডের দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। এই ওয়ার্ডে ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি দাখিল মাদরাসা, ৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্ব ভরিপাশা হাফিজী ও নূরানী মাদরাসা, ১০ টি জামে মসজিদ ও ঈদগাহ রয়েছে। ৬নং ওয়ার্ড ভরিপাশা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আবু জাফর মিঠু বলেছেন, এ এলাকায় রাস্তায়ঘাট না থাকায় সাধারণ মানুষ, স্কুল- মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জনজীবন বিপন্ন মুখে এবং চলাচলে ভীষণ কষ্ট হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে এ ধরণের অনুন্নত গ্রাম আছে কিনা আমার জানা নাই। তাই ভরিপাশা মাঝের খেয়াঘাট থেকে তালতলী বাজার হয়ে পূর্ব ভরিপাশা শরীফ ভিলা জামে মসজিদ থেকে হাজীরহাট পর্যন্ত রাস্তাটি মাটির কাজসহ পাকাকরণ হলে জনসাধারণের রাস্তায় চলাচলের ভোগান্তি কমবে বলে ধারণা করেছেন এলাকাবাসী। এছাড়া তালতলী বাজার থেকে তালতলী ভরিপাশা ইসমাইলিয়া দাখিল মাদরাসা হয়ে ভুইয়ারহাট পর্যন্ত রাস্তাটি মাটির কাজসহ পাকাকরণ হলে জনসাধারণের ভোগান্তি কমবে বলে সকলের অভিমত।
পূর্ব ভরিপাশা শরীফ ভিলা জামে মসজিদের ইমাম জনাব মৌলভী মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, রাস্তাঘাট সংস্কার না করলে মুসল্লীরা নিয়মিত সালাত আদায় করতে ভোগান্তির স্বীকার হন এবং পূর্ব ভরিপাশা হাফিজীয়া ও নূরানী মাদরাসা শিক্ষার্থীরা নিয়মিত মাদরাসায় উপস্থিত হতে পারছে না। তাই অতি দ্রুত রাস্তাটি মাটির কাজসহ পাকাকরণ করলে এলাকার জনসাধারণ ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে বলে তাদের ধারণা। ৬নং ওয়ার্ড ভরিপাশা গ্রামের রাস্তাগুলো মেরামত করে পাকা রাস্তা নির্মাণের জন্য মাননীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামণা করছেন এলাকাবাসী।









