দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে অবৈধভাবে মৎস্য শিকারের সময় দুই উপজেলার সাত জন জেলেকে গ্রেফতার করেছে নৌপুলিশ। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় এবং সন্ধ্যা ৬ টার দিকে এদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ০৬ নং বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মৃত. শফিক মৃধার ছেলে মো: খলিল মৃধা (৪৯) ও চরবোরহান ইউনিয়নের ইউসুব মোল্লাল ছেলে খোকন মোলা (৪৯), বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের শৌলা গ্রামের মৃত. কাশেম গাজীর ছেলে মোঃ ফারুখ গাজী(৪৯), আবুল কাশেম দালালের ছেলে মিল্লাদ দালাল (২৯ ওবায়দুল হাওলাদারের ছেলে মোঃ মনির হাওলাদার (৩১), বিল্লাল হাওলাদারের ছেলে মোঃ রিফাত হাওলাদার (২২) ও নেছার হাওলাদারের ছেলে মোঃ রাকিব হাওলাদার (২১)।
দশমিনা নৌপুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে নৌপুলিশ ফাঁড়ি উপপুলিশ পরিদর্শক এসআই আহাদউজ্জামান সহ সঙ্গী ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে নদীতে অবৈধ মৎস্য শিকারের সময় চরবোরহান সংলগ্ন নদী থেকে একজন এবং সন্ধ্যা ৬ টার দিকে বাঁশবাড়িয়া এলাকার বীজ উৎপাদন কেন্দ্র সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদী থেকে ছয়জন জেলেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে মাছ ধরার সুতার ১ হাজার মিটার জাল ও একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার জব্দ করা হয়। সাত জেলের বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে নিয়মিত মামলা হয়েছে। বুধবার সকালে আদালতে মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে।
নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফেরদাউস জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনার সময় মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে একজন এবং সন্ধ্যায় ছয় জনকে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে অবৈধ ভাবে মা ইলিশ ধরার সময় গ্রেফতার করা হয়। তাদের সাত জনের বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে মামলা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়। এ অভিযান নিয়মিত চলমন থাকবে।









