মো. বেল্লাল হোসেন, দশমিনা: পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় বিরোধী সম্পত্তিতে বালুবরাট করতে গেলে বাঁধা দেওয়ায় দুইপক্ষে সংঘর্ষে চার জন আহতের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (২৩ মে) রাত আট ঘটিকার সময় উপজেলার দশমিনা সদর ইউনিয়নের ০২ নম্বর ওয়ার্ড সবুজবাগ মসজিদের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন ১. মোঃ ফয়েজ খান, ২. রমজান খান, ৩. মোহন খান ও ৪.নাসির পল্লান এরা সকলে দশমিনা উপজেলার ০২ নম্বর ওয়ার্ড দশমিনা গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দশমিনা সদর ইউনিয়নের ০২ নম্বর ওয়ার্ডের দশমিনা প্রাণিসম্পদ অফিসের সামনের সড়কের দক্ষিণ পাশের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত আকবর আলী খান ও জাকির খান এর মধ্যে বিরোধ চলোমান। ঐ জায়গা মোঃ জাকির হোসেন খান কবলা ও পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে দাবি করে ভোগদখলে থেকে কজ করছে।
অপর দিকে একই জমি আকবর আলী খান পৈত্রিক ও ওয়ারিশ সূত্রে দাবি করেন। আকর আলী খান দশমিনা থানায় জাকির হোসেন খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করলে উভয় পক্ষ থানায় হাজির হলে স্থানীয় ভাবে মিমাংসা হাবার কথা বলে শালিস মানা হয়।
শালিসি চলাকলীন জাকির হোসেন খান বিরোধী সম্পত্তিতে কাজ করার পায়তারা করলে আকবর আলী খান পটুয়াখালী জেলা জজ আাদলতে মামলা করে বিরোধী সম্পত্তিতে নিষেধাজ্ঞা আদেশ আনেন। আাদলতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাকির হোসেন খান বিরোধী সম্পত্তিতে একেরপর এক কাজকরে যাচ্ছে। আকবর আলী আদালতের নিষেধাজ্ঞা আদেশ নিয়ে থানার দারস্থ হলে থানা পুলিশ জাকির হোসেন খানকে থানায় ডাকলে তা তোয়াক্কা না করো একের পর এক কাজ করে যাচ্ছে।
শনিবার রাতে জাকির খানের লোকজন ঐ বিরোধী সম্পত্তিতে বালুভরাটের কাজ করতে গেলে আকবর আলী খান তার ছেলে ও ছোট ভাই বাঁধা দিলে কথা-কাটাকাটি হয় পরে আকবর আকবর আলী ও তার ছেলে ও ভাই অতর্কিত হামলা করে জাকির খানের চারজনকে গুরুতর আহত করে খুন করার হুমকি দিয়ে চলে যা।
পরে এলাকার লোক জন পরলে তারা পালিয়ে যায় আহতদের দশমিনা হসাপাতালে ভর্তি করা হয়। ফয়েজ হোসেন খানকে আশংকা জনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শে-রে-ই বাংলা হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাঃ সোহেল রানা জানান, রাত ৯ ঘটিকার সময় চিকিৎসা করা হয় তিনজনকে ভর্তীমদেওয়া হয় একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিরিশাল হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।
আহত সোহরব খান জানান, আমরা সবুজবাগ মসজদের সমনে বসে ছিলাম। আকবর আলী খান, তার ছেলে জহিরুল ইসলাম সবুজ ও তার ভাই নজরুল খান আমাদের উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা করে চারজনকে গুরুতর আহত করে। আমাদের একজনকে আশংকা জনক অবস্থায় বরিশাল হাসপাতালে পঠানো হয়। আমরা তিনজন দশমিনা হসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি।
আকবর আলী খান জানান, ঐ বিরোধী সম্পত্তি আমার পৈত্রিক ও কবলা সূত্রে পওয়া। একাধিক বার শালিস হয়েছে। শালিসিদের রোয়েদাদ আছে। জাকির খানের জনবল থাকায় জোর করে জমিতে বাউন্ডারি ওয়াল ও ভবনের কাজ করছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তাই আদালতের দারস্থ হয়েছি। আাদালত ঐ বিরোধী সম্পত্তিতে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। জাকির খান অমান্য করে কাজ করছে। আমি একাধিক বার থানা গিয়াছি আদালতের নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেখিয়েছি। থানা থেকে পুলিশ গিয়ে কাজ বন্ধকরে দিয়ে আসলে পরক্ষনে আবার কাজ করে। আজকে তারা নিজেদের মধ্যে নিজেরা ঝগড়া করে আহত হয়ে আমার উপর দোষ চাপাচ্ছে। আমরা এ ঘটনার সাথে জড়িত নই।
জাকির হোসেন খান জানান, ঐ জমি আমি পৈত্রিক ও কবকা সূত্রে মালিক। একাধিক বার শালিস হয়েছে। শাসিগন আমাকে জমি বুজিয়ে দিয়েছে। আকবর আলী খান বারবার আমাকে হেনস্তা করার জন্য একাধিক মামলা দিয়েছে। আমি মামলার জবাবা দিচ্ছি। আজ শনিবার রাতে আমার ভাই ও ভাইর ছেলেকে কোপিয়ে আহত করেছে আকবর আলী খান তার ছেলে ও ছোট ভাই। আমি আইনের আশ্রয় নিবো।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার বিষয় জেনে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত কর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।









