নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালীতে বোরো ২০২৫-২৬ মওসুমের সফল ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। উন্নত জাতের ধান চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ব্রি ধান১০৮ জাতের ধানের বাম্পার ফলন সবার নজর কেড়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার পশুরীবুনিয়ায় এলএসটিডি প্রকল্পের প্রযুক্তি গ্রামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রি ধান১০৮ জাতের ধান কাটা শুরু হয়।
ফসল কর্তন শেষে এক আলোচনা সভায় স্থানীয় কৃষকরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধাগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে ব্রি’র বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ রেজোয়ান বিন হাফিজ প্রান্ত এর সঞ্চালনায় ও এলএসটিডির প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব (ফসল উইং) ফেরদৌসী আখতার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী স্যাটেলাইট স্টেশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (অ:দা:) ড. মুহম্মদ আশিক ইকবাল খান। এছাড়াও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তা, এলএসটিডি প্রকল্পের সদস্যবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, এলএসটিডি প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা। ব্রি ধান১০৮ একটি আধুনিক ও উচ্চ ফলনশীল জাত, যা প্রতিকূল পরিবেশেও ভালো ফলন দিতে সক্ষম। এই জাতটি চাষাবাদের ফলে কৃষকরা অধিক মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
আলোচনা সভা শেষে বোরো মওসুমের বীজ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ৩০ জন কৃষকের মাঝে বীজ সংরক্ষণ পাত্র ও আউশ মওসুমের জন্য উচ্চফলনশীল বীজধান বিতরণ করা হয়।









