মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় খরিপ -১ মৌসুমে উফসী আউশ ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক- কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল এগারোটায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের হল রুমে এ বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরন করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে কৃষি প্রনোদনার বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৩ হাজার ৭শ ৫০ জন কৃষক-কৃষাণীর মাঝে জন প্রতি ১০কেজি ডিএপি সার, ১০কেজি এমওপি সার ও ৫ কেজি আউশ বীজ(ব্রি ধান ৯৮) বিতরন করা হবে।
এসময়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ আলাউদ্দিন মাসুদ, মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবদুস সালাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আহসান উল্লাহ পিন্টু সিকদার, সহ-সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম খোকন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশিদ মুন্সী, সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ফরাজীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ব্রি ধান ৯৮ আউশ মৌসুমের একটি আধুনিক, উচ্চফলনশীল ও স্বল্পমেয়াদী ধানের জাত, যা সাধারণত ১১২ দিনের মধ্যে পরিপক্ক হয়। খরা ও পোকা-মাকড় সহনশীল এবং আউশ মৌসুমে চাষের পর আমন ধান চাষের সুযোগ তৈরি হয়।
হেক্টর প্রতি প্রায় ৫ টন ফলন দিতে সক্ষম এই ধানের চাল চিকন, লম্বা ও সাদা এবং ভাত ঝরঝরে হয়। এটি একটি শক্ত কাণ্ডবিশিষ্ট ও খাড়া ডিগপাতাযুক্ত জাত, যা চিটে হওয়ার ঝুঁকি কমায়। আরো বলেন, এই জাতটি মূলত আউশ মৌসুমের জন্য অত্যন্ত উপযোগী ধান। কৃষকরা যাতে অল্প জমিতে অধিক ফসল উৎপাদন করতে পারে সে লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ নতুন নতুন ধানের আবিষ্কার করছে।








