মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি: কর্মস্থলে যাওয়ার পথে একটি পরিবহনে চাপা লেগে মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ ও বাম পা ভেঙে যায় এবং দীর্ঘ দিন চিকিৎসার পরে বর্তমানে পিজি হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন আছেন মোঃ নাফিজুর রহমান পলাশ(৩২)। সে একটি বেসরকারি কাপড়ের শোরুমে চাকরিরত ছিলেন। গত ১০ মার্চ ঢাকায় উত্তরা এলাকায় সড়ক পারাপারের সময়ে এঘটনা ঘটে।
নাফিজুর রহমান পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের মোঃ হাসেম হাওলাদারের পুত্র। তার মা-বাবা,স্ত্রী’ ও তিন বছরের একমাত্র কন্যাসন্তান রয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য ৮-১০ লাখ টাকার প্রয়োজন বলে পরিবার থেকে জানান।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক স্থানীয় প্রতিবেশী মোঃ শামিম আহম্মদ জানান, একটি পরিবহননে হাফিজুর রহমানকে গত ১০মার্চ চাপা দিয়ে গুরুতর আহত করেন ও মাথায় রক্তক্ষরন হয়। পরে তাকে ঢাকার হোম কেয়ার হাসপাতাল ভর্তি করানো হয় এবং সেখান থেকেই আবার ইবনে সিনায় ভর্তি করানো হয় ও মস্তিষ্কের অপারেশন করে আইসিউতে রাখা হয় গত ২৫শে মার্চ পিজি হাসপাতালের আইসিউতে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে। তার চিকিৎসায় প্রায় এখন পর্যন্ত ১৫ লক্ষ টাকার মত খরচ হয়েছে। চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা দরকার এবং পরিবারের পক্ষে এত টাকা নেই। তাই সমাজের বিত্ববানদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন তার পরিবারবর্গ।
আহত নাফিজুর রহমানের ছোট ভাই মোঃ তামিম হোসেন জানান, আমার ভাই ঢাকায় একটি ছোট শোরুমে চাকরি করতো। ঢাকার উত্তরায় সড়ক পারাপারের সময়ে একটি পরিবহন ধাক্কা দেয়। এতে মাথায় রক্ষক্ষরন, বাম পা ভেঙে যায় ও গুরুতর আহত হয়। ধারদেনা করে এবং এমনকি মায়ের শেষ সম্বল গহনা বিক্রি করে এখন পর্যন্ত ভাইয়ের চিকিৎসা করিয়েছি। এখন বাম পা অপারেশন করাতে হবে। বর্তমানে পিজি হাসপাতালের আইসিউতে আছেন। তার উপর আমার ভাবিও অসুস্থ। আমাদের মতো মধ্যোবিত্ত পরিবারের পক্ষে এতটাকা দিয়ে চিকিৎসা করানো প্রায় অসম্ভব।
তাই দেশের ও দেশের বাইিরের হৃদয়বান ব্যাক্তির কাছে সহায়তা কামনা করেন। যাতে চিকিৎসা শেষে নাফিজুর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন। ছোট ভাই তামিম হোসেন সাইমুনের মোবাইলে সাহায্যে পাঠানাে ও যোগাযােগের মোবাইল নাম্বার–০১৭৯৫১২২৭৭৭ (বিকাশ)।









