পটুয়াখালীতে জান্নাতি আক্তার নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জান্নাতি সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের তেলিখালি গ্রামের ফারুক মৃধার মেয়ে।
রোববার (২৯ মার্চ) স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।
তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
তাদের অভিযোগ, পূর্ব শত্রুতা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জান্নাতিকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা দেখেন মরদেহের পা মাটির সঙ্গে লেগে ছিল। তাদের ভাষ্য, ‘যদি আত্মহত্যা হতো, তাহলে পা মাটিতে লাগানো থাকার কথা নয়।’
এছাড়াও তারা জানান, ‘জান্নাতির শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও রক্ত দেখা গেছে, যা হত্যার সন্দেহকে আরও জোরালো করছে।’
পরিবার আরও অভিযোগ করে, ‘কিছুদিন আগে বাড়িঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং তখন তাদের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।’
অন্যদিকে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরাও জানান, মরদেহটি যেভাবে গাছে ঝুলছিল এবং পা মাটিতে লেগে ছিল, তাতে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে তেলিখালি গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিহতের পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









