কলাপাড়া প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় হত্যা মামলা তুলে নিতে নিহতের স্ত্রী ও মামলার স্বাক্ষীদের পুলিশের সামনে হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আমনো বেগম নামের এক নারী। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার তৌহীদুর রহমান মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মামলার বাদী আমেনার চাচা শ্বশুর আবু বক্কর খান, ভাসুর ইউনুচ খান, বড় ছেলে পারভেজ ও ছোট ছেলে আলী হোসেনসহ তার সজনরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে আমেনা বলেন, নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক (বর্তমানে বহিষ্কৃত) মো. জহিরুল ইসলাম জহির এবং তার সহযোগিরা গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ফেসবুকে গরু চুরি সংক্রান্ত একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে তার স্বামী মো. ইদ্রিস খানকে তাদের অফিসে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরের দিন আরও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ০২ মার্চ নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ০৩ মার্চ ইদ্রিস খানের চাচা আবু বক্কর কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ৮ মার্চ পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মামলাটি তদন্তে ইদ্রিস খানের বাড়িতে যায়।
এসময় পুলিশ সদস্যদের সামনেই আসামি পক্ষের লোকজন আমেনা ও মামলার স্বাক্ষীদের দেখে নেওয়ার বিভিন্ন রকমের হুমকি দেন। পরে পুলিশ তাদের তাড়িয়ে দেয়।
নিহত ইদ্রিস খানের বড় ছেলে পারভেজ অভিযোগ করেন, গত ০৩ তারিখ মামলা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। বর্তমানে আমাদের হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে। আমরাও জীবননাশের শঙ্কায় রয়েছি।তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম জহির এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, আসমীদের গ্রেফতারে প্রযুক্তির ব্যবহারসহ নানা কৌশল গ্রহন করা রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষ হবেন বলে জানান।









