ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুর ঘটনায় পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বাদ জুম্মা পটুয়াখালী পৌর শহরের ঝাউতলাস্থ হৃদয় তরুয়া চত্বরে পটুয়াখালী সর্বদলীয় জুলাই ঐক্য’র আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর অ্যাড. নাজমুল আহসান, পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী সর্বদলীয় জুলাই ঐক্য’র সভাপতি আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান, পটুয়াখালী সর্বদলীয় জুলাই ঐক্য’র সমন্বয়ক আতিকুর রহমান, জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক আহ্বায়ক সৈয়দ নজরুল ইসলাম লিটু, এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী বশির আহমেদ, জাতীয় ছাত্র শক্তি’র আহ্বায়ক মোঃ মিরাজ ইমতিয়াজ, ইসলামি ছাত্রশিবিরের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম নূর, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।
বিক্ষোভ মিছিলে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন। তারা স্লোগানে বলেন, ‘ইনকিলাব, ইনকিলাব, জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’, ‘আমরা সবাই হাদী হবো, গুলির মুখে কথা কবো’, ‘আমরা সবাই হাদী হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো’, ‘গোলামী না আজাদী, আজাদী, আজাদী’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা, ঢাকা’, ‘এক হাদী লোকান্তরে, লক্ষ্য হাদী ঘরে ঘরে’, ‘হাদীর খুনি পালিয়ে যায়, প্রশাসন বাল ফালায়’, ‘আমার ভাই কবরে, হাসিনা কেনো ভারতে?’, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, লড়াই হবে একসাথে’, ‘হাদী ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’, ‘জুলাইয়ে রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’, ‘আমরা ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’, ‘হাদী ভাই মরলো কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙ্গে দাও, গুড়িয়ে দাও’, ‘এক হাদী চলে গেল, লক্ষ্য হাদী তৈরি হলো’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন, ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও।’
এর আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা ওসমান হাদির হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে ফেরার সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন ঢাকা-৮ আসনের স্বত্রন্ত্র প্রার্থী এবং রাজনৈতিক আন্দোলন ‘ইনকিলাব মঞ্চে’র মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হসপিটালে (এসজিএইচ) নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল মারা যান তিনি।









