শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস বলেছেন, “বাংলাদেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সবার। আমরা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে বসবাস করে আসছি। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য তারেক রহমানের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
গত সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার বাউফল ও পটুয়াখালীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাউফল পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, জাসাসের পটুয়াখালী জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহবুব উর রহমান এবং জিয়া গবেষণা পরিষদের পটুয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম কিবরিয়া। এ সময় বাউফল বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি জনবান্ধব সরকার। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিএনপির পক্ষে কাজ করেছেন এবং ভোট দিয়েছেন। এর ফলে বিএনপির সরকার গঠনের পথ সুগম হয়েছে।
উল্লেখ্য, আনিসুর রহমান আনিসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকারি আর্থিক বরাদ্দ পাওয়ার লক্ষ্যে এলজিইডির ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত বাউফল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের ১৪টি মন্দিরের জন্য আর্থিক বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়।
মন্দিরগুলো হলো—বাউফলের দাসপাড়া রাধামাধব মন্দির, কুম্ভখালী সার্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গামন্দির, মদনপুরা সার্বজনীন শিবানন্দ মন্দির, সার্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা, কালী ও শীতলামাতা মন্দির, ছিটকা রাজাপুর সার্বজনীন দুর্গামন্দির, ডা. রাইচরণ রায়ের বাড়ি সার্বজনীন দুর্গামন্দির, শ্রীশ্রী রক্ষাচণ্ডী মন্দির, শ্রীশ্রী দুর্গামাতা মন্দির, রাজাপুর শ্রীশ্রী রক্ষাচণ্ডী মন্দির, পটুয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর লোহালিয়া শ্রীশ্রী মদনমোহন ঘিউর মন্দির, শ্রীশ্রী মদনমোহন ঘিউর আখড়া মন্দির, উত্তর লোহালিয়া সার্বজনীন শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির, নন্দকানাই শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির এবং দুমকি উপজেলার কালিকাপুর সার্বজনীন দুর্গামন্দির।









