বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. জুলফিকার আলী হায়দার বলেছেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন সার্বক্ষণিক কাজ করছে। ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। সমাজের সব মানুষের জানমালের নিরাপত্তা, সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বদা নিবেদিত থেকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. জুলফিকার আলী হায়দার বরগুনার আমতলী পৌরসভার হাসপাতাল রোডে সার্বজনীন শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির-সংলগ্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
পরে তিনি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলার ১৬টি পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেন।
আমতলী উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট হরিহর চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে এবং আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান হাফিজুর রহমান, আমতলী-তালতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম মাসুদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন ফকির, সাবেক সদস্যসচিব মো. তুহিন মৃধা, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কবির উদ্দিন ফকির, মন্দিরের সভাপতি ও পুরোহিত বিভূতী চন্দ্র চক্রবর্তী এবং গুলিশাখালী বাজার-সংলগ্ন পূজামণ্ডপের সভাপতি মলিন্দ্র মাঝিসহ অনেকে।
পরে ডিআইজি মো. জুলফিকার আলী হায়দার পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পূজাকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
আমতলী উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র বসু বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও উপজেলার ১৬টি পূজামণ্ডপে আগামী ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ছয় দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবছর এসব পূজামণ্ডপে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপিত হয়ে আসছে। এ বছরও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদ্যাপনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।








