জড়িত। নারী ও শিশুদের চিকিৎসা সহায়তায় তার উদ্যোগেই খোলা হয়েছে টোল-ফ্রি হেল্পলাইন। যেখানে বিনে পয়সায় শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা পেতে পারেন সমাজের সমস্যাগ্রস্ত নারী ও শিশুরা। গর্ভবতী ও সদ্য প্রসবা মা ও শিশুদের জন্য এই সেবা চালু রেখেছে স্কয়ার গ্রুপের মালিকানাধীন স্কয়ার হসপিটাল। ডাচ সরকারের সঙ্গে মিলে দেশের প্রায় ৩ মিলিয়ন নারী গার্মেন্টস কর্মীর যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার নিয়ে কাজ করছেন তিনি।
ক্রীড়া, সংস্কৃতির পাশাপাশি শিক্ষা প্রসারেও তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। পাবনাসহ দেশের নানা জায়গায় স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষার অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছেন। স্কয়ার কিন্ডার গার্টেন, স্কয়ার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, দিশারী কম্পিউটার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। যেখানে দরিদ্র, সমস্যাগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় এই সব প্রতিষ্ঠান সরাসরি কাজ করছে।
ব্যবসায়ী অঞ্জন চৌধুরীর শো-কেসে স্বীকৃতির অভাব নেই। প্রথম কমার্শিয়ালি ইম্পোর্টেন্ট পারসন (সিআইপি) উপাধি পেয়েছেন ২০০৫ সালে। আর ২০০৮ সাল থেকে দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ করদাতাদের একজন তিনি। বাবা স্যামসন এইচ চৌধুরীর পথ ধরে ২০১৭ সালে পোপ ফ্র্যান্সিসের কাছ থেকে বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করেন। এর বাইরে পেশাগত নানা সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছেন। দেশি-বিদেশি আরও অনেক স্বীকৃতিই আছে।
দেশের শীর্ষ শিখরে পৌছুলেও ভুলে যাননি অতীত। তিনি পাবনাকে খুব ভালবাসতেন। তিনি পাবনা প্রেসক্লাবসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে তিনি সহায়তা করেন। পাবনা প্রেসক্লাবের সম্মানিত জীবন সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া পাবনার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রয়েছে তার অবদান। দেশ বরেণ্য এই শিল্পপতির ৭৩তম জন্মদিনে রইল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।








